Today: March 3, 2024 8:13 am

ভুয়া নিয়োগপত্রে প্রতারিত প্রবাসীরা

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর ক্ষেত্রে ২৫ জনের বেশি কর্মীর নিয়োগপত্র একসঙ্গে এলে তা যাচাই করে প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়। সংখ্যাটি ২৫–এর কম হলে মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন লাগে না; সরাসরি যাচাই করে বিএমইটি।

জানতে চাইলে বিএমইটির মহাপরিচালক মো. শহীদুল আলম প্রথম আলোকে বলেন, সৌদি আরব থেকে অর্ধেকের বেশি ভিসা আসে ব্যক্তিগত পর্যায়ে। সে ক্ষেত্রে ভিসার সত্যতা যাচাই করা হয়। কিন্তু অল্প জনবল নিয়ে এত নিয়োগপত্র যাচাই করা প্রায় অসম্ভব। এখন অনলাইন প্রক্রিয়ায় এটা যাচাই করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বেশি হারে কর্মী পাঠানোকেই সফলতা মনে করা হয়। তাই যাচাই-বাছাই হচ্ছে না। ভুয়া নিয়োগপত্রে মানুষ গিয়ে নানা হয়রানির শিকার হচ্ছেন।

তাসনিম সিদ্দিকী, প্রতিষ্ঠাতা চেয়ার, রামরু

সক্রিয় ভিসা–বাণিজ্য চক্র

বিএমইটির তথ্য বলছে, বিদেশে সবচেয়ে বড় শ্রমবাজার সৌদি আরব। গত বছর দেশটিতে গেছেন ৬ লাখ ১২ হাজার ৪১৮ জন কর্মী। তবে অনেকেই দেশটিতে গিয়ে কাজ পাচ্ছেন না।

প্রায় সাড়ে তিন লাখ টাকা খরচ করে সৌদি আরবে যান যশোরের মো. নাজমুল। মুঠোফোনে প্রথম আলোকে তিনি বলেন, তিনি চাকরি পাননি। তিন মাস পর কাজের অনুমতিপত্রও ছিল না। অবৈধ হয়ে দেড় বছর ধরে পালিয়ে পালিয়ে আছেন। তাঁর মতো আরও অনেক কর্মী এখানে একইভাবে মানবেতর জীবন যাপন করছেন।

সৌদি আরবের বাংলাদেশ দূতাবাস পরিস্থিতি জানিয়ে একাধিকবার চিঠি দিয়ে সরকারকে সতর্ক করেছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে দূতাবাসের দুই কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, সৌদি নাগরিকেরা ২ হাজার রিয়াল (৪৫ হাজার টাকা) জমা দিয়ে একজন কর্মী নিয়োগের জন্য ভিসা করাতে পারে। কর্মী নেওয়ার সক্ষমতা হয়তো ওই নাগরিকের নেই, কিন্তু এই নিয়োগপত্র সৌদি কর্তৃপক্ষ যাচাই করে না।

উৎস ঃ- প্রথমআলো

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *